অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে নিজের প্রথম বিগ ব্যাশ লিগেই আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে হোবার্ট হারিকেন্স–এর ‘প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি।
রিশাদের সঙ্গে এই পুরস্কারের দৌড়ে আছেন দলের অলরাউন্ডার নিখিল চৌধুরী, অধিনায়ক ও পেসার নাথান এলিস এবং অভিজ্ঞ ইংলিশ পেসার ক্রিস জর্ডান। তবে পুরো মৌসুমজুড়ে ধারাবাহিকতা, উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রতিপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তারের দিক থেকে অনেকেই রিশাদকেই এগিয়ে রাখছেন।
২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিগ ব্যাশ লিগ–এ খেলতে নেমে হোবার্টের বেগুনি জার্সিতে নিজের সামর্থ্যের পূর্ণ প্রমাণ দিয়েছেন রিশাদ। পুরো আসরে তিনি শিকার করেছেন ১৫ উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার পেস-বান্ধব উইকেটেও তার বোলিং গড় ছিল মাত্র ২০.৮৭, আর প্রতি ওভারে খরচ করেছেন ৮ রানের কম।
প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই উইকেট তুলে নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই তরুণ স্পিনার। তার গুগলি, টার্ন এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বারবার বিপাকে পড়েছেন প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে রিশাদের আক্রমণাত্মক স্পেলই অনেক ম্যাচে হোবার্ট হারিকেন্স–কে এগিয়ে দিয়েছে।
রিশাদের এই সাফল্য শুধু একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য নয়, গোটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যই গর্বের। শাকিব আল হাসান–এর পর তিনিই দ্বিতীয় বাংলাদেশি, যিনি বিগ ব্যাশে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। আর সেই সুযোগকে তিনি কেবল কাজে লাগাননি, বরং নিজের প্রতিভা ও সামর্থ্যের ঝলক দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দর্শকদেরও মুগ্ধ করেছেন।



