পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’ (৫০) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত ১২ জুন ঢাকার পশ্চিম রামপুরা এলাকায় নিজ বাসভবনের কাছে অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন।

মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (ICU) এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টি নামে একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এজাহারে।

এছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২), ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা (৪৫), পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবের (৩৫) নাম রয়েছে আসামির তালিকায়। পাশাপাশি আরও সাত-আটজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছেন।

মামলার পর গত শনিবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর সোমবার মো. মারুফ সুলতান ওরফে ফেরদৌস নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব। ঘটনার দিন ফেরদৌস ঘটনাস্থল ও আশপাশে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেছিল পুলিশ।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version