বাংলাদেশে যেসব কল-কারখানা বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, পর্যায়ক্রমে আমরা তা আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবসে উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সামনে একটি ব্যানারে লেখা রয়েছে, বন্ধ কল-কারখানা চালু করতে হবে। বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। সেইজন্য সরকার গঠিত হওয়ার পর সাথে সাথে আমি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে বসেছি।
এবং গত এক মাস আগে নির্দেশনা দিয়েছি, কত দ্রুত আমরা বন্ধ কল-কারাখানা কোনটি কোনটি চালু করতে পারি, যাতে করে সেই সমস্ত শ্রমিক যারা কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হয়ে গিয়েছিল সেই সকল শ্রমিকের কর্মের ব্যবস্থা করতে পারি। সেই মিটিংটি এই সপ্তাহে আবার নির্ধারিত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে যেসকল কল-কারখানা বিগত বছরগুলোতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, পর্যাক্রমিকভাবে আমরা সেই কল-কারখানাগুলোকে আবার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
তিনি বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।’



