মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু–এর প্ররোচনায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়েছেন, যা মার্কিন জনগণ চায় না। এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ডেট্রয়েট শহরে ডেমোক্রেটিক পার্টি–এর এক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে হ্যারিস বলেন, “এই যুদ্ধ আমেরিকার জনগণের পছন্দ নয়, তবুও এতে যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে আনা হয়েছে এবং আমাদের সেনাদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে।”
২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হ্যারিস তার বক্তব্যে বর্তমান মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে দুর্বল করে দিতে পারে।
তবে হ্যারিসের এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কী করতে হবে তা কেউ বলে দিতে পারে?”
এদিকে, হ্যারিসের মন্তব্যের সরাসরি কোনো জবাব এখনো দেননি ট্রাম্প। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইসরায়েল–কে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরম মিত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “মানুষ ইসরায়েলকে পছন্দ করুক বা না করুক, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক পরম মিত্র হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে।”
ইসরায়েলের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “তারা সাহসী, নির্ভীক, অনুগত ও বুদ্ধিমান। সংঘাতের কঠিন সময়ে অন্য অনেকে তাদের আসল রূপ দেখালেও ইসরায়েল শক্তভাবে লড়াই করে এবং জানে কীভাবে জিততে হয়।”
উল্লেখ্য, এর একদিন আগেই ট্রাম্প ইসরায়েলকে লেবানন–এ বোমাবর্ষণ না করার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, “যথেষ্ট হয়েছে, এবার থামা উচিত।”
সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়টি তিনি বিবেচনা করছেন।



