সুইডেন সরকার বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, তারা বিমান ও ড্রোন প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করছে। রাডার, বিমানবিধ্বংসী অস্ত্র ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এ অর্থ বিনিয়োগ করা হবে।

স্টকহোম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ক্রোনার (৯১৬ মিলিয়ন ডলার) মূল্যের এই প্যাকেজ জানুয়ারিতে ঘোষিত বিমান প্রতিরক্ষার জন্য নগদ বরাদ্দের অর্ধেকেরও বেশি।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পল জনসন এএফপিকে বলেন, ‘বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ন্যাটো সামরিক জোটের সব দেশের জন্যই সত্য।’

জনসন আরও বলেন, ‘ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন যে ন্যাটো জোটের ভেতরে বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় ৪০০ শতাংশের বেশি সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

সরকার জানিয়েছে, তারা সুইডেনের সাব ও যুক্তরাজ্যের বিএই সিস্টেমসের সুইডিশ সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিএই সিস্টেমস বোফর্সসহ নির্মাতাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে।

২০২৭ সালে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ শুরু করা হবে। জনসনের মতে, ইউরোপের প্রতিরক্ষা শিল্প চাহিদা পূরণের চাপের মধ্যে এ সরবরাহ তুলনামূলকভাবে দ্রুত সময়ে হবে।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে জোটের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে।’

জনসন বলেন, তিনি মনে করেন না যে যুক্তরাষ্ট্র জোট ছাড়তে চায়। তবে এটা স্পষ্ট, ইউরোপকে আরও বড় প্রতিরক্ষা দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এর সুস্পষ্ট উত্তর হলো, ইউরোপকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে এবং সশস্ত্র বাহিনীতে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করতে হবে।’

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version