রাজধানীতে আজও জ্বালানি তেলের সংকট অব্যাহত রয়েছে। সরবরাহ সংকটের কারণে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।
তেল নিতে এসে অনেক মোটরসাইকেল ও গাড়িচালককে খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা গেছে। তবে যেসব পাম্প চালু রয়েছে, সেগুলো সরকারি নির্দেশনা মেনে সীমিত পরিসরে তেল সরবরাহ করছে।
তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, জ্বালানি নিতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। চালকদের অনেকেই জানিয়েছেন, দেড় থেকে দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর তারা কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন।
ভোগান্তিতে পড়া চালকরা বলছেন, এই সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
এদিকে চলমান জ্বালানি সংকট লাঘবে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন–এর বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে ডিজেলের পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং মঙ্গলবারের মধ্যেই পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এই ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে।


