পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এ পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইটে মোট ৫০ হাজার ১১১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে।
হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১২ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ২ জন নারী। মৃতদের মধ্যে ১০ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা গেছেন।
এদিকে, সৌদি মেডিকেল টিম গতকাল পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯৮৭ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন আরও ১৩ হাজার ১১ জন হজযাত্রী।
হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। এ কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছে মোট ৬৬০টি এজেন্সি। এর মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি।
এয়ারলাইন্সভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৫৬৩ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৭টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৯২ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গেছেন।
পরিচালক মো. লোকমান হোসেন আরও জানান, অবশিষ্ট ২৮ হাজার ২৬২ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সৌদি আরবে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি-৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
হজ অফিসের তথ্যমতে, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
অন্যদিকে, ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত ৭৮ হাজার ৩৭৩টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯১৯টি ভিসা দেওয়া হয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
হজ শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আর আগামী ৩০ জুন শেষ ফিরতি ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।



