ইউরোপের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে অপরাধীদের আশ্রয় দেওয়ার খেসারত দিচ্ছে ইউরোপ। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, তার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়াটা আমেরিকার জন্য একেবারে সঠিক সময়ে হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ইউরোপ এখন শিখছে যে, যখন আপনি তৃতীয় বিশ্বের অপরাধীদের আশ্রয় দেবেন, তখন আপনি নিজেই একটি তৃতীয় বিশ্বের দেশে পরিণত হবেন।
এর আগেও ট্রাম্প যুক্তি দিয়েছিলেন যে, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে ব্যাপক অভিবাসন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করতে পারে। তিনি তার পোস্টে নিজের রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল স্লোগান ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ উল্লেখ করে অভিবাসন ও জাতীয় পরিচয়ের ওপর তার কঠোর অবস্থানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অভিবাসন ইস্যুর পাশাপাশি ট্রাম্প সম্প্রতি ফেডারেল বিচারকদেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন।
গত ৮ জুন এইচ-১বি ভিসার ওপর তার প্রশাসনের আরোপিত ১ লক্ষ মার্কিন ডলার ফি আদালত বাতিল করে দিলে তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘উন্মাদনাপূর্ণ’ বলে আখ্যা দেন। উল্লেখ্য, এই ভিসা ব্যবস্থার আওতায় মার্কিন সরকার প্রতি বছর সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৬৫,০০০ এবং উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০,০০০ কর্মীকে কাজের সুযোগ দেয়।
এ ছাড়া গত এপ্রিলে ট্রাম্প জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার আইনেরও সমালোচনা করেন। তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করে যুক্তি দেন যে, কিছু অভিবাসী তাদের সন্তানদের জন্য আমেরিকার নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে গর্ভাবস্থার শেষ দিকে আইনটির অপব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করেন।


