যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীরা নতুন করে সরবরাহঝুঁকির হিসাব কষতে শুরু করেছেন।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার মূল্য প্রতি ব্যারেলে ৬২ সেন্ট বা প্রায় ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৪ দশমিক ৩৯ ডলারে পৌঁছায়। এর আগে টানা দরপতনের কারণে ব্রেন্টের দাম প্রায় ৭ শতাংশ কমে তিন সপ্তাহের সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে গিয়েছিল। তবে সর্বশেষ লেনদেনে সেই ক্ষতির একটি অংশ পুষিয়ে নিয়েছে বাজার।
একই ধারা দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডেও। এদিন ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৬১ সেন্ট বা প্রায় ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮০ দশমিক ৯৫ ডলারে ওঠে। আগের লেনদেনে এ তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছিল।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও জ্বালানি বাজারকে প্রভাবিত করতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনের পরিবর্তে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বাড়ছে। সেই আশঙ্কাই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ানোর অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।

