রক্ষণশীল রাজনৈতিক ভাষ্যকার ক্যাটি জাকারিয়াকে হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের প্রতি তাঁর দীর্ঘদিনের আনুগত্য ও সমর্থনের প্রশংসা করে এ নিয়োগের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘সমর্থনের ক্ষেত্রে তাঁর রেকর্ড অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন। শুরু থেকেই তিনি একজন বিশ্বস্ত ও মেধাবী সমর্থক হিসেবে পাশে রয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তিনি একই সঙ্গে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (মাগা) আন্দোলনের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ও সদস্য।’
পেশায় আইনজীবী ক্যাটি জাকারিয়া ট্রাম্পের মালিকানাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপের যোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ক্যারোলাইন লেভিটের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। গত আগস্টে দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করেন লেভিট।
জাকারিয়ার পেশাগত যোগ্যতার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারাভিযানে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিয়োগের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জাকারিয়া লেখেন, ‘হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।’
তিনি আরও লেখেন, ‘প্রেসিডেন্টের আস্থা অর্জন করা সত্যিই গর্বের বিষয়। তাঁর নেতৃত্ব এ দেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।’
জাকারিয়া বলেন, ‘সামনে আমাদের কাজ হলো দেশের জন্য আরও ভালো ফলাফল নিশ্চিত করা এবং এই প্রশাসন প্রতিদিন যেসব গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করছে, তা মার্কিন জনগণের কাছে তুলে ধরা।’
বর্তমানে জাকারিয়া ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপের জ্যেষ্ঠ যোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটি ট্রাম্পের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল পরিচালনা করে। তাঁর কাজকে ‘অসাধারণ’ বলে প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প।
ফক্স নিউজ ও নিউজম্যাক্সসহ বিভিন্ন রক্ষণশীল টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিত রাজনৈতিক ভাষ্য দিয়ে থাকেন জাকারিয়া। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে (ডিএইচএস) মুখপাত্র হিসেবে স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করেন। বিভাগটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন প্রয়োগের দায়িত্বও পালন করে।

