চিলির ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার আর্জেন্টিনায় যাচ্ছেন। এই সফরে তিনি বুয়েনস আয়ারসে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
সান্তিয়াগো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
মার্চে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই কাস্টের প্রথম বিদেশ সফর। চিলির প্রেসিডেন্টদের আর্জেন্টিনাকে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে বেছে নেওয়ার যে ঐতিহ্য রয়েছে, এই সফর তারই ধারাবাহিকতা।
রাজনৈতিকভাবে একই ধারার হওয়ায় কাস্ট ও মিলেই ঘনিষ্ঠ মিত্র। তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী রাজনীতির উত্থানের অংশ হিসেবেও তাদের দেখা হচ্ছে।
গত ডিসেম্বরে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর, কাস্ট ও মিলে আগে একবার সাক্ষাৎ করেন। তখন তারা বাজেট কাট-ছাঁটের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত একটি চেইনসো হাতে একসঙ্গে ছবি তোলেন, যা মিলের নীতির প্রতীক।
চিলির পররাষ্ট্র মন্ত্রী ফ্রান্সিসকো পেরেজ ম্যাকেনা রোববার বলেন, ‘এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে যৌথ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া জরুরি। খনি, জ্বালানি, সীমান্ত পারাপার ও সংগঠিত অপরাধ দমনে আমাদের বড় পরিকল্পনা রয়েছে।’
এই সফর এমন এক সময় হচ্ছে, যখন আর্জেন্টিনায় চিলির গেরিলা নেতা গালভারিনো আপাব্লাজাকে গ্রেফতারের একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
আপাব্লাজা ২০১০ সাল থেকে আর্জেন্টিনায় রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আদালত তার আশ্রয়ের মর্যাদা বাতিল করে।
তার বিরুদ্ধে ১৯৯১ সালে চিলির ডানপন্থী সিনেটর জেইমি গুজম্যান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
চিলি ও আর্জেন্টিনার মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।
বুয়েনস আয়ারস লাতিন আমেরিকায় সান্তিয়াগোর দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। ২০২৫ সালের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

