আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে ভোর ৬টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, শৈলকুপা উপজেলার কোথায় কী ধরনের দুর্বলতা ও সংকট রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উপজেলার সব কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ করা হবে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে খেলার মাঠের স্বল্পতা রয়েছে, বিষয়টি জানা আছে। প্রয়োজনে আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে হলেও স্কুলগুলোর খেলার মাঠ তৈরি করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভালো ফলাফল অর্জন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমি সবসময় তাদের পাশে আছি।’
চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘চাকরি দেওয়ার নামে দলের কোনো নেতা জড়িত থাকার তথ্য পেলে ওই দিনই তার সঙ্গে সম্পর্কের অবসান ঘটবে।’
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি একজন সাধারণ ভ্যানচালকের কথাও মনোযোগ দিয়ে শুনি। মনে রাখবেন আপনাদের এলাকার এমপি বা মন্ত্রী কোনো ঘুষ খায় না। শেকড়ের প্রতি আমার গভীর দায়বদ্ধতা রয়েছে।’
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। দলের কোনো নেতার ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফল এলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির কোনো নেতা যদি রাজনীতি, সমাজ এবং দেশের ক্ষতি করার চেষ্টা করে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বিন্দুমাত্র সময় লাগবে না। আমরা কারাগারকে ভয় পাই না।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, শৈলকুপা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহীন আক্তার পলাশ, সাধারণ সম্পাদক সিহাব মল্লিক, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রতিনিধি ফিরোজ আহম্মেদ, কলেজ প্রতিনিধি উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম এবং প্রাথমিক শিক্ষক প্রতিনিধি মনিরুল ইসলামসহ অন্যরা।

