জ্বালানি সাশ্রয় এবং মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনসহ একগুচ্ছ কৃচ্ছ্রসাধন ও ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন। সেগুলো হলো-
১. সরকারি-বেসরকারি অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
২. ব্যাংক চলবে ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত, ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে।
৩. দেশের সব ধরনের শপিংমল ও মার্কেট সন্ধ্যা ৬টার পর বন্ধ রাখতে হবে। তবে জরুরি সেবা যেমন- কাঁচাবাজার, খাবারের দোকান ও ওষুধের দোকান এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে।
৪. বিয়ে বা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা করা যাবে না।
৫. স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্ত। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেবে, তারা শুল্কমুক্তভাবে বাস আমদানি করতে পারবে।
৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী রোববার।
৭. আগামী ৩ মাসের মধ্যে নতুন করে কোনো যানবাহন, জলযান বা আকাশযান ক্রয় করা হবে না। কম্পিউটারসহ নতুন সরঞ্জাম কেনাও বন্ধ রাখা হবে।
৮. অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানোর পাশাপাশি সরকারি অর্থায়নে বিদেশে সব ধরনের প্রশিক্ষণ আপাতত স্থগিত থাকবে।
৯. সভা-সেমিনারের ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত।
১০. জ্বালানি মোকাবিলায় কাজাখস্তান থেকে তেল কিনবে সরকার।

