রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও প্রায় সব ধরনের সবজির দাম এখনো চড়া। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
ঈদের আগের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে ঢ্যাঁড়শ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজিতে, পটোল ১০০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০–১২০ টাকা, ঝিঙ্গা ও চিচিঙ্গা ১০০–১২০ টাকা, উচ্ছে ও বরবটি ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু প্রতি হালি ৫০–৬০ টাকা এবং টমেটো ৭০–৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে করলা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে, লাউ ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে। শিম ৫০–৭০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৬০–৭০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা কেজি এবং গাজর ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। ঈদের পর জ্বালানি সংকট ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাজার পরিস্থিতি আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে।
ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে। হাতিরপুলে বাজার করতে আসা এক ক্রেতা জানান, অনেক সবজির দাম ১৫–২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চাপ তৈরি করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেবে।
আরেকজন ক্রেতার মতে, কৃষকরা তুলনামূলক কম দামে সবজি বিক্রি করলেও রাজধানীর বাজারে এসে সেই দাম অনেক বেশি হয়ে যায়। কৃষকের দাম এবং ভোক্তা পর্যায়ের দামের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।


