ঈদ মানেই উৎসব, কেনাকাটা আর পরিবারকে ঘিরে ব্যস্ততা। তবে এই আনন্দ আয়োজনকে একটু ভিন্নভাবে দেখেন ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। নিজের জন্য কেনাকাটায় আগ্রহ কমলেও পরিবার ও প্রিয়জনদের জন্য ঈদের শপিং এখনো তার অন্যতম আনন্দের জায়গা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঈদের প্রস্তুতি, শ্বশুরবাড়ির উপহার এবং কুরবানির ঈদ নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা খোলামেলাভাবে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ফারিণ জানান, একটা সময় ঈদে প্রচুর কেনাকাটা করতেন তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে সেই অভ্যাস অনেকটাই বদলে গেছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ঘরে ইতোমধ্যেই অনেক কাপড় জমে রয়েছে। তাই এখন নিজের জন্য খুব বেশি কিছু কেনা হয় না।

তবে নিজের কেনাকাটা কমলেও পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের জন্য কেনাকাটা নিয়মিতই করেন এই অভিনেত্রী। শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া উপহারের প্রসঙ্গে মজার ছলে ফারিণ বলেন, ‘আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি লন গিফট পাই। তো আমার মনে হয় উনারা একটা জায়গা পেয়ে গেলেন আবার আমাকে গিফট করার।’

ঈদের কেনাকাটা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কেনাকাটা এখনো শুরুই হয়নি। তবে আমি কোনদিন ঈদে নিজের জন্য কিনি না, ফ্যামিলির জন্যই কেনাকাটা করি। আর কুরবানির ঈদ তো মেইনলি একটু গরু কেনার পেছনেই মানুষের ব্যস্ততা থাকে, কাপড় ওভাবে কেনা হয় না। তারপরও চেষ্টা করি যারা দুই-একজন কাছের মানুষ, তাদের জন্য কেনাকাটা করার। এবারও করা হবে।’

কুরবানির ঈদ খুব একটা উপভোগ করতে পারেন না বলেও জানান ফারিণ। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘কুরবানি ঈদের দিন আর পরের দিন একটু কম বের হই। আমি অনেক বেশি স্মেল সেনসিটিভ, সেই জন্য এই সময়টায় রুমে বেশি থাকা হয়।’

তবে ঘরবন্দি থাকলেও ঈদের সামাজিকতা ঠিকই বজায় রাখেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘বাইরের রেস্টুরেন্টে বা আশেপাশে হয়তো যাওয়া হয় না, কিন্তু মানুষের বাসায় যাওয়া হয়। আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ওই মাংস দিতে যাওয়া হয়। আবার বাসায় কেউ আসলে রান্না করা হয়, এইটাই আরকি।’

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version