নতুন বছরের সূচনালগ্নে দাঁড়িয়ে বিষাদ ও প্রাপ্তির হিসাব মেলালেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। নতুন বছর সাধারণত মানুষের মনে আনে নতুন উদ্যম ও উদ্দীপনা। ঋতুপর্ণাও তার ব্যতিক্রম নন। তবে তার জন্য সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালটি ছিল আবেগ ও অভিজ্ঞতার এক অদ্ভুত মিশ্রণের বছর।

একদিকে ব্যক্তিগত জীবনে প্রিয়জন হারানোর গভীর ক্ষত, অন্যদিকে পেশাগত জীবনে সাফল্যের আকাশচুম্বী অর্জন—এই দুই বিপরীত অনুভূতির মধ্য দিয়েই কেটেছে তার বছরটি। ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঋতুপর্ণা বলেন,
‘এখনো প্রতিদিন মায়ের কথাই মনে পড়ে। ভাবতেই পারি না যে মানুষটা আর নেই। আর কোনোদিন তাকে দেখতে পাব না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই যন্ত্রণাটা যখনই উপলব্ধি করি, ভেতরটা ভেঙে যায়। খুব কষ্ট হয়। তবে এবছর বছরের শেষ দিনটা ভিয়েতনামে পরিবারের সঙ্গে কাটাব। একরাশ আশা নিয়ে চাই, যেন এভাবেই সবাইকে একসঙ্গে বেঁধে রাখতে পারি।’

কাজের প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, ‘১৪ বছর পর শর্মিলা ঠাকুরের এভাবে বাংলায় কাজ করা—আমি সত্যিই আশা করেছিলাম, সেটি যথাযথ স্বীকৃতি পাবে। মাঝেমধ্যে মন খারাপও হয়েছে। খুব কাছ থেকে অনেক মানুষের জন্য ভেবেছি, কিছু করার চেষ্টাও করেছি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেই কথা না রাখার অভিজ্ঞতাও কম নয়।’

ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘ভালো যা কিছু হবে, সাদরে গ্রহণ করব। সামনে ভালো ভালো কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। শুধু নিজের জন্য নয়, অন্যদের জন্যও যেন ভালো কিছু করতে পারি। চারপাশের পরিবেশ এখন খুবই সেনসিটিভ হয়ে উঠেছে।’

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version