পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনে আবারও যাত্রীসেবা চালু হয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় স্টেশনটি চালু করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পুলিশের তৎপরতায় ওই আগুনের প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দুপুর ২টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। চালু হয়েছে মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনের যাত্রী সেবা। মিরপুর-১১ থেকে মিরপুর-১০ এর যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই বিভিন্ন গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এগিয়ে গেলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় শ্রমিকরা বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের ধাওয়া দেন।
বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মিরপুর এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, সকাল থেকেই মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকেরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন বলেন, গাড়িতে আগুন লাগার খবর পেয়ে পল্লবী স্টেশনের একটি টিম ঘটনাস্থলে গেছে। তবে সেটি পুলিশের গাড়ি কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।



