বছর ঘুরে আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে কালবৈশাখীর মৌসুম হওয়ায় উৎসবের এই আনন্দঘন সময়ে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঈদের আগে ও পরে দেশজুড়ে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, ঈদের আগের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী তিন দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে। এর মধ্যে ঈদের দিন আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি বৈরী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের আগের রাতেই দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী প্রবেশ করতে পারে। সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এটি রংপুর ও রাজশাহী হয়ে খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরে দুপুর নাগাদ এটি চট্টগ্রাম বিভাগেও পৌঁছাতে পারে।
এছাড়া বিকেলের দিকে সারা দেশে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ঈদের দিন দীর্ঘ সময় ধরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষ করে ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ঈদের নামাজের সময় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। এতে খোলা জায়গা বা ঈদগাহে নামাজ আদায়ে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
ঈদের আগের দিনের আবহাওয়া সম্পর্কে বিডব্লিউওটি জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের কিছু জায়গায় কালবৈশাখীসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে ঈদের পরের দিন থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। ভোরের দিকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা থাকলেও দিনের বেলায় দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানানো হয়েছে।

